আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে সতর্ক করেছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা সামলে বিশ্ব অর্থনীতি যখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই এই নতুন সংঘাত প্রবৃদ্ধির গতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
আইএমএফের প্রতিবেদনের মূল অর্থনৈতিক প্রভাবসমূহ
-
প্রবৃদ্ধি হ্রাস: আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে যে, যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৫ সালের ৩.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কমে ২০২৬ সালে ৩.১ শতাংশে নেমে আসতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এটি ২ শতাংশেও নেমে যেতে পারে।
-
জ্বালানি ও পণ্যের দাম: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৮০ শতাংশ এবং সারের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
-
মূল্যস্ফীতি: জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করবে।
-
ক্ষতিগ্রস্ত দেশ: এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন আয়ের এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।