শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম :

   স্বাস্থ্য চিকিৎসা
থাইল্যান্ড ও চীনের বিকল্প হয়ে উঠছে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা
  Date : 05-02-2026
Share Button

অনলাইন ডেস্ক:
গত দুই বছরে হঠাৎ করেই বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি রোগীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় এসেছে মালয়েশিয়ার নাম। ভারত, থাইল্যান্ড, চীন ও সিঙ্গাপুর দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় চিকিৎসা গন্তব্য হলেও, এখন অধিকাংশ মানুষ মালয়েশিয়াকে বেছে নিচ্ছেন। কারণ এখানে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, অত্যাধুনিক রোবটিক প্রযুক্তি এবং সর্বোপরি থাইল্যান্ড থেকে ৩০শতাংশ কম খরচে চিকিৎসা সেবার নিশ্চয়তা। মালয়েশিয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোর প্রতিটি নির্দিষ্ট চিকিৎসা সেবার খরচের সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ পরিমান নির্ধারণ করে দেয় যার ফলে মালয়েশিয়া নাগরিকগণ এবং বিদেশী নাগরিকগণ একই খরচে স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে থাকে।

বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি পরিবারের জন্য মানসিক শক্তি এবং আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি। ক্যান্সার চিকিৎসা, হৃদরোগ, অর্থোপেডিক সার্জারি, জটিল অপারেশন, বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা কিংবা উন্নত ডায়াগনস্টিক সেবার ক্ষেত্রে রোগীরা চান দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা, অত্যাধুনিক রোবটিক প্রযুক্তি এবং গ্রহণযোগ্য চিকিৎসা ব্যয়। এসকল ক্ষেত্রেই মালয়েশিয়া আজ একটি শক্তিশালী ও আস্থার নাম। সিঙ্গাপুরের স্বনামধন্য সকল হাসপাতালের সিংভাগ চিকিৎসকই মালয়েশিয় নাগরিক যারা মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর দুই দেশেই নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন।

বিশেষ করে সিঙ্গাপুরের তুলনায় মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ কম। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে কিংবা দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া মালয়েশিয়াতে থাকা, খাওয়া কিংবা পরিবহন খরচ থাইল্যান্ডের চেয়েও সাশ্রয়ী।

রোগী এবং রোগীর স্বজনরা মালয়েশিয়াকে পছন্দ করার আরও কারন হিসেবে বলছেন মালয়েশিয়ার ভিসা সহজলভ্যতা, মুসলিম বান্ধব পরিবেশ, আধুনিক হাসপাতাল অবকাঠামো, সহজ ভ্রমণ ব্যবস্থা, হালাল ও বাংলাদেশি খাবারের সহজলভ্যতা এবং আরামদায়ক থাকার সুবিধা। এই সকল বিষয় একত্রে পুরো চিকিৎসা চলাকালীন ও পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াকে করে তোলে একদম চাপমুক্ত।

বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে সানওয়ে মেডিকেল সেন্টার (সানওয়ে সিটি)। বর্তমানে স্বনামধন্য এই চেইন হাসপাতালের সংখ্যা মালয়েশিয়াতে ৫টি যার ৩টিই আছে কুয়ালালাম্পুর-এ , ১ টি পেনাং এবং ১টি ইপো জেলায়। ২৬ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটি বর্তমানে মালয়েশিয়ার বৃহত্তম বেসরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত। এখানে রয়েছে ৮৪৮টি অনুমোদিত শয্যা, ২৮টি সেন্টার অব এক্সেলেন্স এবং ৬০টিরও বেশি চিকিৎসা বিশেষায়ন বিভাগ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এটি মালয়েশিয়ার প্রথম বেসরকারি হাসপাতাল যা একসাথে তিনটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে—জেসিআই (যুক্তরাষ্ট্র), এসিএইচএস (অস্ট্রেলিয়া) এবং এমএসকিউএইচ। এছাড়া, নিউজউইক-এর “ওয়ার্ল্ড বেস্ট হসপিটাল-২০২৫” তালিকায় মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সানওয়ে মেডিকেল সেন্টার।

বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বর্তমানে বিনামূল্যে চালু হয়েছে দেশ থেকেই চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় করা। সানওয়ে হাসপাতাল এখন বাংলাদেশে তাদের পার্টনারের মাধ্যমে সেবা আরও সহজ করেছে। ঢাকার ইসিবি চত্ত্বরের নিকটবর্তী মাটিকাটা মেইন রোডে অবস্থিত “জেজি হেলথকেয়ার লিমিটেড” এখন সানওয়ে হাসপাতালের অফিসিয়াল প্রতিনিধি । বাংলাদেশি রোগীদের ঢাকায় এই অফিসের মাধ্যমে রোগীরা পাচ্ছেন ওয়ান-স্টপ সাপোর্ট—ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও মেডিকেল রিপোর্ট সাবমিশন, চিকিৎসা পরিকল্পনা ও খরচের প্রাক্কলন, ভিসা ও ভ্রমণ সহায়তা, থাকার ব্যবস্থা, ফ্লাইট সাপোর্ট, প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর অন-গ্রাউন্ড কো-অর্ডিনেশন এবং দেশে ফেরার পর ফলো-আপ সেবা।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য রোগীরা যোগাযোগ করতে পারেন সানওয়ে হাসপাতালের বাংলাদেশ অফিসের ২৪/৭ হেল্পলাইনে: +880133 518 1711, +8801777947226 অথবা ইমেইল করতে পারেন: info@jghealthcare.com

 



  
  সর্বশেষ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি ১১ দলীয় জোটের
` বংশালের ছেমায় ` অনুষ্ঠিত হলো DPC ৭ম উঠান বৈঠক
কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী
জুলাই সনদ বকেয়া রেখেই সরকার নতুন হালখাতা খুলেছে: নাহিদ

প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান , সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com