পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আজ ১২ মার্চ, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হয়েছে চব্বিশের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী নবনির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের ঘোষিত ফলাফলে ২০৯টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি এবং ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকা জামায়াতে ইসলামীর উপস্থিতিতে এই সংসদ এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা করেছে।
প্রথম দিনেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন এবং শোক প্রস্তাব উত্থাপনের পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে জারি করা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো অনুমোদনের জন্য পেশ করার কথা রয়েছে।
তবে অধিবেশনের মূল আকর্ষন ও সম্ভাব্য উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে `জুলাই জাতীয় সনদ`-এর আলোকে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবনাগুলো, যা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও রাজনৈতিক বাদানুবাদের জোরালো পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে।
নবগঠিত এই সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মতো দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব থাকায় নীতি-নির্ধারণী বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং অধ্যায় হিসেবে গণ্য হচ্ছে।