| |
| নায়েব অনুপ কুমারের বিরুদ্ধে জাল দলিল ও লাখ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ |
| |
| |
|
| |
| |
| দিলীপ গোয়ালা, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) অনুপ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ বাণিজ্য এবং ভুয়া জাল দলিলের মাধ্যমে সরকারি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে সহযোগিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তিনি অন্যত্র বদলী হয়ে যাচ্ছেন আর এর মাধ্যমে এই কর্ম চাপা ফেলে দেবার কৌশল করছেন বলে মনে করছেন অনেকে।
টাকা ছাড়া ফাইলে হাত দেন না তিনি—এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা। অনুসন্ধানে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নায়েব অনুপ কুমার দীর্ঘদিন ধরে সিরতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। নামজারি (মিউটেশন) ও খাজনা আদায়ের মতো সাধারণ সেবা পেতেও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। নির্দিষ্ট অংকের সেলামী না দিলে ফাইল আটকে রেখে নানা তালবাহানা এবং খুঁটিনাটি অজুহাত ও ভুলত্রুটি দেখিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তা বিরুদ্ধে।
সূত্রের দাবি, সম্প্রতি প্রায় ২ লাখ টাকা ঘুষ রফাদফায় একটি জমির নামজারি ও অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিল বিষয় সমাধার জন্য একটি ভুয়া ও জাল দলিল সম্পন্ন করে পরবর্তীতে সেই জাল দলিলের ওপর ভিত্তি করেই ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখা থেকে ক্ষতিপূরণের বিশাল অঙ্কের টাকা উত্তোলনের ছক আঁকা হয়। একটি সূত্র থেকে জানাগেছে, জাল দলিলের মিউটেশন এবং পরবর্তীতে এর মাধ্যমে সরকারি টাকা উত্তোলন প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে রয়েছে বলে জানাগেছে। যার বিশেষ ভুমিকায় অনুপ কুমারের অংশগ্রহণ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নায়েব অনুপ কুমারের কাছে জাল দলিলের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি অদ্ভুত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেন নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন। তিনি জানান, "দলিল যাচাই করার দায়িত্ব আমাদের নয়, এটি এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার-ভূমি) মহোদয়ের কাজ।" নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে তিনি আরও বলেন, "আমরা শুধু আবেদনের খুঁটিনাটি, অনলাইন কাগজপত্র এবং হোল্ডিংয়ে জমি আছে কি না, সেটাই দেখি।
এছাড়া এই কর্মে"এসএ খতিয়ান লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত জমি নামজারির অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর তথ্য সূত্রে জানা গেছে, উক্ত নামজারিতে এসএ খতিয়ানে জমির পরিমাণ কম থাকা সত্ত্বেও সরকারি নিয়ম বা আইনকে তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত জমি নামজারি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
আর্থিক সুবিধা নিয়ে জমির সঠিক পরিমাপ ও রেকর্ড যাচাই না করেই তিনি এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভূমি অফিসগুলোতে ডিজিটাল সেবা ও হয়রানি বন্ধের সরকারি কঠোর নির্দেশনা থাকলেও নায়েব অনুপ কুমারের খামখেয়ালি ও দুর্নীতিপরায়ণ কার্যক্রমে সাধারণ মানুষ পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অবিলম্বে দূদকসহ অন্যান্য বিবিাগের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দূর্ণীতির মাধ্যমে অর্জিত নামে বেনামে কি পরিমাণ সম্পদ বানিয়েছেন এর উৎস খোঁজার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
|
| |
|
|
|
| |
|
|
প্রধান সম্পাদক: মতিউর রহমান
, সম্পাদক: জাকির হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক এসএম আবুল হাসান। সম্পাদক কর্তৃক ২ আরকে মিশন রোড, ঢাকা ১২০৩ থেকে প্রকাশিত এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২০১৯ ফকিরাপুল , ঢাকা ১০০০ থেকে মুদ্রিত। বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: জামান টাওয়ার (৪র্থ তলা) ৩৭/২ পুরাণা পল্টন, ঢাকা ১০০০
ফোন: ০১৫৫৮০১১২৭৫, ০১৭১১১৪৫৮৯৮, ০১৭২৭২০৮১৩৮। ই-মেইল: bortomandin@gmail.com, ওয়েবসাইট: bortomandin.com
|
|
| |
|