সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি তাদের আগামীর পথচলাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। মাকতাবাতুল ফাতাহ বাংলাদেশের এই উদ্যোগ কওমি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের লক্ষ করে তিনি বলেন, আপনাদের আরবি, ইংরেজি এবং মাতৃভাষা বাংলায় দক্ষতা অর্জন করে বিশ্বব্যাপী নিজেদের মেধার জানান দিতে হবে। মাদরাসায় না পড়েও অনেকে আরবি ভাষায় পান্ডিত্ব লাভ করেছেন।
সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করতে হবে। চার দেয়ালের ভেতর বন্দি হওয়া যাবে না। খাল পাওয়া গেলে নদী তালাশ করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের ঈমান ডাকাতি হয়ে যাচ্ছে। ঈমানি তাকওয়া অর্জনে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। যোগ্য ব্যক্তিরা কখনো বেকার থাকে না। আপনারাও কাঙ্খিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে জাতি আপনাদেরকে খুঁজে নেবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর বিয়াম অডিটোরিয়ামে মাকতাবাতুল ফাতাহ বাংলাদেশ আয়োজিত কওমি মাদরাসা মেধা বৃত্তি , সম্মাননা প্রদান ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এ সব কথা বলেন.
এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই মেধা বৃত্তি ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। আল ফাতাহ গ্রুপের এমডি এম এ সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, মুফতি হিফজুর রহমান, মুফতি রফিকুল ইসলাম মাদানী, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা আবদুল জলিল ফারুকী, মুফতি বোরহান উদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা জাফর সাদেক, মুফতি জাকির মাহমুদ, মুফতি মো. ইলিয়াস, মুফতি আমির হোসেন ও মুফতি মাওলানা আতাউর রহমান কাসেমী। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি ও মেধা বৃত্তি হিসেবে সম্মাননা ও আর্থিক বৃত্তি প্রদান করা হয়।
এর মধ্যে আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া-এর ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় দেশসেরা ৩ জন ছাত্র ও ৩ জন ছাত্রীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-এর কেন্দ্রীয় পরীক্ষার আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগে দেশসেরা মোট ১৮ জন ছাত্র ও ১৫ জন ছাত্রীকে এককালীন মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়।